সুনামগঞ্জ , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬ , ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের অস্তিত্বেই তারা বিশ্বাস করে না, তাদের কি বিশ্বাস করা যায় : প্রধানমন্ত্রী হাওরজুড়ে বজ্রপাত আতঙ্ক দোয়ারাবাজারে বিদ্যুতের ভেল্কিবাজিতে অতিষ্ঠ মানুষ হাওর থেকে ধান আনতেই নাভিশ্বাস এসআই সুপ্রাংশু দে’র মৃত্যুতে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসি’র শোক শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের নবনির্মিত মন্দির উদ্বোধন আজ শুরু হচ্ছে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন নোনাজলে ডুবে যাচ্ছে স্বপ্ন, ডুবে যাচ্ছে একটি প্রজন্ম এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ ৪ লক্ষাধিক গ্রাহকের ভোগান্তি ২০ বছরেও নির্মাণ হয়নি সেতুর সংযোগ সড়ক ‎জামালগঞ্জে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু ‎জামালগঞ্জে স্বেচ্ছাশ্রমে ফসল রক্ষা বাঁধ মেরামত সাচনা বাজারের বন্ধ হাসপাতাল চালুতে প্রশাসনিক সুপারিশ জে-স্কয়ারের অনন্য আয়োজন ‘মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা’ অনুষ্ঠিত যাদুকাটা বালু মহাল ১০ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা ধান ঘরে তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক পাগল হাসানের গান রাষ্ট্রীয়ভাবে সংরক্ষণের দাবি বজ্রপাত কেড়ে নিল ৫ প্রাণ মন্ত্রী সাহেব প্রশংসা একটু কম, স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বললেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরই বিএনপির কাউন্সিল, আসছে বড় পরিবর্তন

জগন্নাথপুরে প্রায় অক্ষত বাঁধে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ

  • আপলোড সময় : ১৫-০২-২০২৬ ০৬:৪২:১৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৫-০২-২০২৬ ০৬:৪২:১৪ পূর্বাহ্ন
জগন্নাথপুরে প্রায় অক্ষত বাঁধে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ
জগন্নাথপুর প্রতিনিধি :: জগন্নাথপুরে প্রায় অক্ষত বাঁধ মেরামতের জন্য ৫ লাখ ১২ হাজার ১৩৭ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কুবাজপুর ও আছিমপুর গ্রামের মধ্যস্থানে অবস্থিত গোপাইলখালি ক্লোজার নামক স্থানে এ কাজ করা হয়েছে। এ ক্লোজারে অতীতে নির্মিত বাঁধ এখনো প্রায় অক্ষত আছে। এ অক্ষত বাঁধ মেরামতের জন্য ২২নং প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এতে বরাদ্দ দেয়া হয় ৫ লাখ ১২ হাজার ১৩৭ টাকা। গতকাল শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে দেখা যায়, বাঁধের উপর-বিভাগে অল্প মাটি ফেলে সুন্দর করে কাজ করা হয়েছে। এ সময় স্থানীয় পথচারীদের মধ্যে অনেকের সাথে আলাপকালে তারা তাদের নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অতীতে নির্মিত বাঁধটি এখনো প্রায় অক্ষত রয়েছে। তবে বাঁধের মধ্যস্থানে ছোট-খাটো ভাঙাচোরা ছিল। যা মেরামত করতে অল্প মাটির প্রয়োজন ছিল, তা হয়েছে। এ কাজের জন্য এতো টাকা কেন? যোগাযোগ করা হলে প্রকল্প সভাপতি জালাল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমি অনেক দূরে আছি, পরে কথা হবে। সদস্য সচিব মুজিবুর রহমান জানান, আমি অসুস্থ আসতে পারছি না, আপনি কাজ দেখে যান। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড জগন্নাথপুর উপজেলা কর্মকর্তা শেখ ফরিদ জানান, এখানে ক্লোজার ছিল। এ জন্য প্রকল্প দেয়া হয়েছে। এটি অক্ষত বাঁধ ছিল না। হাওর বাঁচাও আন্দোলন, জগন্নাথপুর উপজেলা সভাপতি ও উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহিদুল ইসলাম বকুল বলেন, কোথাও অক্ষত বাঁধে প্রকল্প দেয়ার কথা নয়। তা যদি হয়, সরেজমিনে দেখে কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স